প্রকাশিত : ১৪ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:০৯

এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ

পাস করতে না পারলে কারিগরি শিক্ষায় নেওয়ার পরিকল্পনা, বগুড়ায় শিক্ষামন্ত্রী
নিজস্ব প্রতিবেদক
এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেও ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষার উদ্যোগ

 মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে পুনঃপরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। পুনঃপরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে না পারলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় স্থানান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে বগুড়ার পল্লী উন্নয়ন একাডেমির (আরডিএ) মিলনায়তনে ৪৯তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, দেশে নৈতিকতার অবক্ষয় ঘটেছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে একটি প্রজন্ম থেকেই পরিবর্তনের উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে নৈতিক অবক্ষয় রোধ করা যায়। এ জন্য প্রধানমন্ত্রী চতুর্থ শ্রেণি থেকে সংস্কৃতি, খেলাধুলা, নৈতিকতা এবং ‘লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস’ বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

ঝরে পড়া ও অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, যারা পাস করেছে, তারা এগিয়ে গেছে। কিন্তু যারা ঝরে পড়েছে বা পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছে, তাদের বিষয়টি আগে গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। কীভাবে তাদের পুনরুজ্জীবিত করে শিক্ষার ধারায় ফিরিয়ে আনা যায়, সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।

এসএসসি পরীক্ষার পরিকল্পনা তুলে ধরে তিনি বলেন, সর্বোচ্চ দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশের ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা নেওয়ার উদ্যোগ রয়েছে। বছরের পর বছর অকৃতকার্য হওয়ার ধারাবাহিকতা চলতে দেওয়া হবে না। পুনঃপরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীরা সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় থাকবে, নাকি কারিগরি বা ভোকেশনাল শিক্ষায় যাবে, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা ড. সরদার কেরামত আলী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রেজাউল করিম বাদশা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনউদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল, নায়েমের মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. ওয়াসীম মো. মেজবাহুল হক এবং বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমির ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল মজিদ প্রামাণিক।

উপরে