প্রকাশিত : ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ ০০:৩০
মাদকের সিরাপ নাম পাল্টিয়ে এসেছে : র্যাব বগুড়ায় নতুন মোড়কে ফেনসিডিল এস্কাফ, এমকে ও ফেয়ারডিল
নিজস্ব প্রতিবেদক
কাশির সিরাপের আদলে নতুন মোড়কে বগুড়ায় ঢুকছে নেশাজাতীয় মাদকদ্রব্য ফেনসিডিল। কৌশলে ভিন্ন নামের মাদক গ্রামীণ জনপদে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে। মাদকবিরোধী অভিযানে এস্কাফ, এমকেডিল ও ফেয়ারডিল নামের সিরাপ উদ্ধার করেছে র্যাব। যারা ফেনসিডিলের কারবার করতেন, তাদের অনেকেই কাশির সিরাপ পরিচয়ের মাদক কারবারে জড়িয়েছে। ফেনসিডিল সিরাপের নাম পাল্টিয়ে পাচার করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার এ তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানি কমান্ডার ফিরোজ আহমেদ এটিসি। তিনি বলেন, মাদকের সিরাপ একই, কিন্তু ভিন্ন কোম্পানির। সিরাপ নাম পাল্টিয়ে এসেছে। এই সু্যোগ কাজে লাগাচ্ছে কারবারিরা। র্যাবের ধারাবাহিক অভিযানে এস্কাফ, এমকেডিল ও ফেয়ারডিল পাওয়া গেছে। মাদক কারবার পাচারে নারীরাও জড়িত।
লালমনিরহাট থেকে ঢাকাগামী যাত্রীবাহী বাসে আনা হচ্ছিল মাদকের চালান। রোববার বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল এলাকার মহাসড়কে তল্লাশি চালায় র্যাব। উদ্ধার হয় ১০০ বোতল এস্কাফ, ৫০ বোতল এমকেডিল ও ৪৯ বোতল ফেয়ারডিল। হাতেনাতে গ্রেপ্তার দুইজন- লালমনিরহাট সদর উপজেলার সাতপাটকির আতিকুর ইসলাম, আদিতমারী উপজেলার চওড়াটারীর ইয়াছিন আলী। তাদের বিরুদ্ধে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
এরআগে, শনিবার বিকেলে আদমদীঘি উপজেলার সান্তাহার তিওরপাড়া এলাকা থেকে ১০০ বোতল এস্কাফ উদ্ধার করে র্যাব। হাতেনাতে গ্রেপ্তার হয় চিহ্নিত কারবারি মা-ছেলে। তারা সান্তাহার তিওরপাড়া মহল্লার টুলু বেগম ও সাদ্দাম হোসেন। তাদেরকে আদমদীঘি থানায় হস্তান্তর করে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
গত ৪ ফেব্রুয়ারি সোনাতলা উপজেলার ফাজিলপুর দক্ষিণপাড়া থেকে গ্রেপ্তার হয় পেশাদার মাদক কারবারি জাকিরুল ইসলাম। তার বসতবাড়িতে তল্লাশি করে ১৬ বোতল ফেয়ারডিল পাওয়া গেছে।
গত বছরের ২৯ অক্টোবর প্রথমবার নজরে আসে এস্কাফ নামে নতুন মোড়কের ফেনসিডিল। বগুড়া সদরের টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ডেন্টাল ইউনিটের সামনে র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে উদ্ধার হয় ৮ বোতল কথিত মাদকদ্রব্য এস্কাফ। গ্রেপ্তার রঞ্জু মিয়া নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার ভাবনচুর এলাকার আজাহার আলীর ছেলে।
