প্রকাশিত : ২ মার্চ, ২০২৬ ০০:৫৫

দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর গত এক বছরে ১৩২টি ট্রান্সফরমার চুরি

জাহিনুর ইসলাম, বিরামপুর, দিনাজপুর
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর গত এক বছরে ১৩২টি  ট্রান্সফরমার চুরি
বিরামপুরস্থ দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর আওতায় ৬ উপজেলা থেকে এক বছরে ১৩২টি বৈদ্যুতিক ট্রান্স ফরমার চুরি হয়েছে। এসব ট্রান্স ফরমারের মূল্য প্রায় ৮৩ লাখ টাকা। 
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সূত্রে জানা গেছে, এই সমিতির আওতায় দিনাজপুরের বিরামপুর, ফুলবাড়ি, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, নবাবগঞ্জ ও পার্বতীপুর উপজেলার ৩ লক্ষাধিক গ্রাহককে বিদ্যুৎ সুবিধা দিয়ে আসছে। এইসব গ্রাহকের মাঝে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য প্রায় ২০ হাজার ট্রান্স ফরমার স্থাপন করা হয়েছে। বৈদ্যুতিক ট্রান্স ফরমারে তামা ও মূল্যবান ধাতব বস্তু থাকায় চোরেরা ট্রান্স ফরমার চুরিতে ঝুঁকে পড়েছে। গত এক বছরে এই ছয় উপজেলা থেকে ১৩২টি ট্রান্স ফরমার চুরি গেছে। সব চেয়ে বেশি চুরি হয় সেচ পাম্পের ট্রান্স ফরমার। সেচ যন্ত্রের ট্রান্স ফরমার সমুহ জমি চাষাবাদের মাঠের মধ্যে থাকায় সংঘবদ্ধ চোরেরা সেখানে অনেক সময় পাহাদারকে বেঁধে রেখেও ট্রান্স ফরমার চুরি করে থাকে। বোরো মৌসুমে যখন পুরোদমে চাষাবাদ চলে সে সময় চোরেরা বেশি তৎপর হয়ে ওঠে। ট্রান্স ফরমার চুরির কারণে বিদ্যুতের অভাবে সেচ কাজে বিঘ্ন ঘটে এবং অনেক ক্ষেত্রে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়ে থাকে। সেচ কাজে ব্যবহৃত ট্রান্সফরমার চুরি গেলে তা গ্রাহককেই কিনতে হয়। এতে করে গ্রাহকরাও বড় ক্ষতির মুখে পড়েন। এভাবে দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২এর আওতায় ছয় উপজেলা থেকে ২০২৫ সালে এক বছরে ১৩২টি ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। যার মূল্য প্রায় ৮২ লাখ ৬৪ হাজার ৪৮৪ টাকা।
দিনাজপুর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর জেনারেল ম্যানেজার প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান জানান, চুরি যাওয়া ট্রান্স ফরমার উদ্ধার হয়নি। তবে আর যাতে চুরি না হয় সে লক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে বৈঠক, সেমিনার ও প্রচারণার মাধ্যমে গ্রাহকদের মাঝে জনসচেতনতা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
উপরে