প্রকাশিত : ১৮ এপ্রিল, ২০২৬ ০২:২৯

আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকাস্থ রুশ হাউজে অনবদ্য আয়োজন

ষ্টাফ রিপোর্টার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও নববর্ষ উপলক্ষে ঢাকাস্থ রুশ হাউজে অনবদ্য আয়োজন
আন্তর্জাতিক নারী দিবস ও বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উপলক্ষে সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এবং রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার যৌথ উদ্যোগে শুক্রবার রাশিয়ান হাউস প্রাঙ্গণে এক বর্ণাঢ্য পিঠা উৎসব ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। পারম্ভেই সোভিয়েত ও রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠান প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে উঠে। আমন্ত্রিত অতিথিরা দেশীয় ও রাশিয়ান বিভিন্ন ধরনের পিঠা আস্বাদন করেন, যা দুই দেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতিফলন ঘটায় এবং একটি উষ্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি করে। মূল অনুষ্ঠানটি রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার অডিটোরিয়ামে সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভার মাধ্যমে শুরু হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন রাশিয়ান হাউস ইন ঢাকার পরিচালক মিসেস আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই, সোভিয়েত অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, সহ-সভাপতি ডা. হামিদা মাইদার এবং সাধারণ সম্পাদক স্থপতি মোহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদানকালে ঢাকাস্থ রাশিয়ান হাউজের পরিচালক মিসেস আলেকজান্দ্রা খ্লেভনই বলেন, এই আয়োজনটি একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষকে একীভূত করেছে। তিনি বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে এটিকে আশা ও ঐতিহ্যের সময় হিসেবে উল্লেখ করেন এবং বাংলাদেশের নারীদের সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য গভীর শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, সোভিয়েত ও রাশিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকদের উপস্থিতি দুই দেশের মধ্যে একটি শক্তিশালী সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছে। রাশিয়ান শিক্ষা শুধু পেশাগত দক্ষতা প্রদান করে না বরং শিক্ষার্থীদের রাশিয়ার সংস্কৃতি ও ভাষার সঙ্গে যুক্ত করে। তিনি শিক্ষাগত সহযোগিতার মাধ্যমে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার গুরুত্ব তুলে ধরেন এবং অ্যালামনাইদের অর্জন ও রাশিয়ান হাউসের সঙ্গে তাদের অবিচ্ছিন্ন সম্পর্কের জন্য গর্ব প্রকাশ করেন। তিনি সবাইকে আগামী বছরের জন্য সাফল্য, সুস্বাস্থ্য ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। আলোচনা শেষে রাশিয়ান ও বাংলাদেশি সংগীত ও নৃত্য পরিবেশনার মাধ্যমে এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে অ্যালামনাই সদস্য ও তাদের সন্তানরা অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানটি উপস্থিত সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অত্যন্ত আনন্দঘন পরিবেশে সম্পন্ন হয়। উল্লেখ্য, এই আয়োজন বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বকে আরও সুদৃঢ় করেছে, যা শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের মানুষের পারস্পরিক সংযোগের মাধ্যমে আরও গভীর হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
উপরে