প্রকাশিত : ২২ জুন, ২০২৬ ০০:২৫
বিরামপুর হাসপাতালে তিন বছর ধরে অপারেশন বন্ধ!
বিরামপুর, দিনাজপুর সংবাদদাতাঃ
দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ ৫০ শয্যা হাসপাতালে এনেস্থিসিয়া, গাইনী কনসালটেন্ট ও সার্জারি কনসালটেন্ট না থাকায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে সিজারিয়ানসহ সব ধরণের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট বিভাগের কনসালটেন্ট না থাকায় অর্থোপেডিক, নাক, কান ও গলা, চক্ষু, হৃদরোগ, চর্ম এবং যৌন রোগিরা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, এই ৫০ শয্যা হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেঙ্ ে১৮ জন মেডিক্যাল অফিসারের মধ্যে আছেন মাত্র ৯জন। ১১ জন কনসালটেন্ট (বিশেষজ্ঞ) চিকিৎসকের পদের বিপরীতে শিশু বিশেষজ্ঞ ও এনেস্থিসিয়া বিশেষজ্ঞ পদায়িত থাকলেও তারা আবার সংযুক্তিতে দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত রয়েছেন। পরিচ্ছন্নতা কর্মী সংকটে হাসপাতালটির পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নাজুক অবস্থায় রয়েছে এবং আয়া ও ওয়ার্ড বয় সংকটে রোগিরা কাঙ্খিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
হাসপাতালের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার ডা. শাহরিয়ার পারভেজ বলেন, এখানে রিবামপুরসহ পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলার রোগিরা চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট বিভাগের কনসালটেন্ট না থাকায় শিশু বিশেষজ্ঞ, গাইনী, অর্থোপেডিক, নাক, কান ও গলা, মেডিসিন, চক্ষু, হৃদরোগ, চর্ম এবং যৌন রোগিদের সেবা দেওয়া যাচ্ছেনা। এই হাসপাতালে আগে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন অপারেশন করা হতো। সুসজ্জিত অপারেশন থিয়েটার থাকা সত্বেও শুধু এনেস্থিসিয়া, গাইনী কনসালটেন্ট ও সার্জারি কনসালটেন্ট না থাকায় দীর্ঘ তিন বছর ধরে সিজারিয়ানসহ সব ধরণের অপারেশন বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সব্রত কুমার সেন বলেন, হাসপাতালের সমস্যার বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কনসালটেন্ট না আসা পর্যন্ত অপারেশন চিকিৎসা চালু করা সম্ভব হবেনা। আর পরিচ্ছন্নতা কর্মী না আসা পর্যন্ত হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা শতভাগ নিশ্চিত করা যাবেনা।
