প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২৬ ০০:৫০

বিপৎসীমার ওপরে দক্ষিণাঞ্চলের ৮ নদীর পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

চাঁদনী ডিজিটাল ডেস্কঃ
বিপৎসীমার ওপরে দক্ষিণাঞ্চলের ৮ নদীর পানি, প্লাবিত নিম্নাঞ্চল

দক্ষিণাঞ্চলের আটটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এতে চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এ ছাড়া বরিশাল নগরীর কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করায় নগরীর কয়েকটি এলাকা জোয়ারের পানিতে তলিয়ে গেছে।

শনিবার (১৮ জুলাই) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেন বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম।

তিনি জানান, বর্ষা মৌসুমে বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ নদীগুলোর পানি প্রবাহ নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হয়। শনিবার বিকেল সোয়া ৬টার সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণাঞ্চলের আটটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আরও কয়েকটি নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বরিশালের কীর্তনখোলা নদীর পানি বিপৎসীমার ৩ সেন্টিমিটার, ভোলার দৌলতখান উপজেলার সুরমা-মেঘনা পয়েন্টে ২৭ সেন্টিমিটার, তজুমদ্দিন উপজেলার সুরমা-মেঘনা পয়েন্টে ১ মিটার ২ সেন্টিমিটার, পিরোজপুরের বলেশ্বর নদীতে ২০ সেন্টিমিটার, বরগুনার বিষখালী নদীর একটি পয়েন্টে ৭ সেন্টিমিটার, পাথরঘাটার বিষখালী নদীতে ১০ সেন্টিমিটার এবং উমেদপুর পয়েন্টে কচা নদীর পানি বিপৎসীমার ১৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া ঝালকাঠির বিষখালী নদীর পানিও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে।

পাশাপাশি পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বুড়িশ্বর-পায়রা নদী ও উজিরপুরের সন্ধ্যা নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি রয়েছে।

নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল ও চরাঞ্চলের মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছেন। বরিশাল নগরীর কিছু এলাকাও জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে।

বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. তাজুল ইসলাম বলেন, অমাবস্যার প্রভাবে নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে বর্তমানে বন্যার কোনো প্রভাব নেই।

উপরে