প্রতিবছর দূর্গাপূজার আগমন ঘটলেই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ব্যস্ততা শুরু হয়। ব্যস্ততা শুধু বাংলাদেশের হিন্দুদের মাঝেই নয়, সারাবিশ্বের হিন্দু সমাজের। এটি সব চাইতে বড় উৎসব,সপ্তাহব্যাপী মেতে ওঠে আনন্দে,হাসি গানে জাগিয়ে তুলে সারাবিশ্বের হিন্দু সমাজকে।
জানাযায়,এ উৎসবকে ঘিরে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় এবারে প্রায় ৭০ টি মন্দিরে প্রতিমা তৈরির কাজ করছে মালাকাররা । আর মাএ ক‘দিন বাকি দূর্গা পুজা উৎসবের এখন অবদি সরকারি ভাবে প্রতিমা তৈরি বাবদ বরাদ্ধ মন্দির কমিটি পায়নি। স্ব-স্ব উদ্দ্যেগে ধার দেনা করে প্রতিমা তৈরি কাজ করছে তারা। এসব মন্দিরের মধ্যে সব চাইতে বেশি দরিদ্র হিন্দু সম্প্রদায় হলো । উপজেলার যোগিপাড়া গ্রামে সার্বজনীন দূর্গা মন্দিরটি বিগত ২০১৬ সালে প্রতিষ্ঠা করা হয়। হিন্দু সম্প্রদায়ের ১৫০ পরিবার সনাতন ধর্মাবলম্বী বছর জুড়ে মন্দিরটিতে বিভিন্ন ধরনের পূজা অর্চনা করে আসছে।
মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম চন্দ্র সরকার,সাঃ সম্পাদক নেপেন্দ্রনাথ,বিমল চন্দ্র,কমলেস চন্দ্র,শন্তু চন্দ্র,সন্তস,বিপুল এবং রবিন চন্দ্র সহযোগিতায় দো-চালা ঘড় উঠিয়ে সেখানে মন্দিরের কার্যক্রম চালাচ্ছেন তারা। গত বন্যায় মন্দিরের ঘড়ের মাটির পিড়ালি, সামনের বেড়া এবং মন্দিরে যাতায়াতের প্রায় এক কিলোমিটার সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বর্তমানে মন্দির ও সড়কটি মেরামত জরুরি হয়ে পড়েছে। আর মাএ কয়েকদিন পর হিন্দ্র সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব দূর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে তাই তারা চিন্তিত।
ছাট যোগিপাড়া সার্বজনীন দূর্গা মন্দির কমিটির সভাপতি গৌতম চন্দ্র সরকার বলেন,অতি কষ্টে ধারদেনা করে প্রতিমা তৈরি করছি। ২২ হাজার টাকা খরচ হবে। উপজেলা পুঁজা উৎযাপন কমিটি সভাপতি গৌতম কুমার চন্দ জানান, প্রতি বছর প্রত্যক মন্দির কমিটিকে হাফ টন করে চাল দেওয়া হয়। তা থেকে আট থেকে নয় হাজার টাকা পাওয়া যায়। একটি মন্দিরে খরচ হয় সবমিলে প্রায় এক লক্ষ টাকার মতো।