বউ বিদেশ তাই নিজের গোপনাঙ্গ কাটলেন যুবক | Daily Chandni Bazar বউ বিদেশ তাই নিজের গোপনাঙ্গ কাটলেন যুবক | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৯ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৪
বউ বিদেশ তাই নিজের গোপনাঙ্গ কাটলেন যুবক
জয়পুরহাট জেলা সংবাদদাতাঃ

বউ বিদেশ তাই নিজের গোপনাঙ্গ কাটলেন যুবক

শাকিবের ঘরের ছবি।- সংবাদদাতা

জয়পুরহাট সদর উপজেলার দক্ষিণ বিল্লা গ্রামে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে। স্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা এবং মানসিক হতাশার জেরে এক যুবক নিজের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তিনি গলা কাটার চেষ্টাও করেছিলেন বলে জানা গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (বগুড়া মেডিকেল) স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও পরিবারের বরাতে জানা যায়, আহত যুবকের নাম শাকিব। তিনি পেশায় একজন রংমিস্ত্রি। প্রায় তিন বছর আগে পারিবারিক সিদ্ধান্তে সুইটি নামের এক নারীর সঙ্গে তার বিয়ে হয়। দরিদ্র পরিবারের আর্থিক অবস্থার উন্নতির আশায় প্রায় এক লাখ টাকা ব্যয় করে স্ত্রী সুইটিকে জর্ডানে গার্মেন্টস কারখানায় কাজের জন্য পাঠানো হয়।

পরিবারের দাবি, বিদেশে যাওয়ার পর থেকে সুইটি স্বামীর কাছে কোনো অর্থ পাঠাননি এবং ধীরে ধীরে তার সঙ্গে যোগাযোগও কমিয়ে দেন। একপর্যায়ে ফোনে যোগাযোগ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি সুইটি স্বামীকে অন্যত্র বিয়ে করে নেওয়ার পরামর্শ দেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এতে শাকিব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন।

পরিবারের সদস্যরা জানান, স্ত্রীকে বিদেশে পাঠাতে গিয়ে শাকিব ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েন। এর পাশাপাশি দাম্পত্য জীবনের অনিশ্চয়তা তাকে আরও হতাশাগ্রস্ত করে তোলে। ঘটনার দিন হঠাৎ বাড়িতে ফিরে দেখা যায়, তিনি রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে প্রতিবেশীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে জয়পুরহাট সদর হাসপাতালে নিয়ে যান।

জয়পুরহাট সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানান, আহত ব্যক্তি নিজেই নিজের গোপনাঙ্গ কেটে ফেলেছেন বলে স্বীকার করেছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। সেখানে তার উন্নত চিকিৎসা চলছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় এর আগে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। এক প্রতিবেশী বলেন, জুমার নামাজ শেষে মসজিদ থেকে ফিরতে তার দেরি হওয়ায় খোঁজ নিতে গিয়ে তারা এমন ভয়াবহ দৃশ্য দেখতে পান। বিষয়টি এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের মতে, এটি মূলত ব্যক্তিগত ও মানসিক স্বাস্থ্যসংক্রান্ত সমস্যার ফল।