দুদকের মামলায় সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলন কারাগারে | Daily Chandni Bazar দুদকের মামলায় সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলন কারাগারে | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৭ মে, ২০২৬ ০১:২৭
দুদকের মামলায় সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলন কারাগারে
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদকের মামলায় সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলন কারাগারে

 দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত ডিআইজি হামিদুল আলম মিলনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার (৫ মে) বিকালে বগুড়া জেলা ও দায়রা জজ শাহজাহান কবীর তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে এ আদেশ দেন।

হামিদুল আলম মিলন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিলেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর না করে তাকে জেলহাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালত ও দুদক সূত্রে জানা যায়, বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার তাজুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হামিদুল আলম মিলন বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তীতে রাষ্ট্রপতির আদেশে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়।

চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তার স্ত্রী শাহাজাদী আলম লিপিকে অবৈধ সম্পদ অর্জনে সহায়তার অভিযোগে দুদক মামলা দায়ের করে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, শাহাজাদী আলম লিপি দুদকে দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে প্রায় ১৯ কোটি ৫৬ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা হিসাব দেন। এছাড়া স্বামীর সহায়তায় প্রায় ২৬ কোটি টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ভোগদখলে রাখার অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়ে প্রায় ৩ কোটি ৭৪ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং তা গোপন করতে রূপান্তর, স্থানান্তর বা হস্তান্তরের অভিযোগও আনা হয়েছে।

এসব অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় মামলা করা হয়েছে।

দুদকের সরকারি কৌঁসুলি আনোয়ার হোসেন জানান, শুনানি শেষে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

বগুড়া কোর্ট পরিদর্শক শহিদুল ইসলাম জানান, আদালতের আদেশের পর হামিদুল আলম মিলনকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, এর আগে গত বছরের ১৭ নভেম্বর ফ্ল্যাট দেওয়ার নামে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই মামলায় তিনি পরে জামিনে মুক্তি পান। এছাড়া জ্ঞাত আয় বহির্ভূত প্রায় ৬১ কোটি টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।