বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় বাঁশঝাড়ের নতুন চারা (কোড়ল) ভাঙাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে চাচাতো ভাই ও ভাতিজার হামলায় হযরত আলী (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে হোসনে আরা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। মামলার পর একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত হযরত আলী উপজেলার কুসুম্বী ইউনিয়নের বেলঘড়িয়া গ্রামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একটি বাঁশঝাড়ের নতুন কোড়ল ভেঙে ফেলা নিয়ে হযরত আলীর সঙ্গে তাঁর চাচাতো ভাই আব্দুর রহিম (৫২) ও ভাতিজা নাইম ইসলামের (১৮) বিরোধ তৈরি হয়।
মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৪টার দিকে এ বিষয় নিয়ে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে আব্দুর রহিম ও নাইম ইসলাম পেরেকযুক্ত বাঁশ দিয়ে হযরত আলীর মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে রাত সাড়ে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে হোসনে আরা শেরপুর থানায় আব্দুর রহিম ও নাইম ইসলামকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
মামলার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে বুধবার ভোরে উপজেলার মহিপুর বাজার এলাকা থেকে আব্দুর রহিমকে গ্রেপ্তার করে।
শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জয়নাল আবেদীন বলেন, “মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হবে। অন্য আসামিকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।”