বগুড়ার সন্তান ফারুক আহমেদ অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি | Daily Chandni Bazar বগুড়ার সন্তান ফারুক আহমেদ অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৬ জুন, ২০২৬ ০০:৫৭
বগুড়ার সন্তান ফারুক আহমেদ অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি
নন্দীগ্রাম, বগুড়া সংবাদদাতাঃ

বগুড়ার সন্তান ফারুক আহমেদ অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি

বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলার ২নং নন্দীগ্রাম ইউনিয়নের কৈডালা গ্রামের গর্বিত কৃতী সন্তান ফারুক আহমেদ অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি, গ্রেড-২) পদে পদোন্নতি পেয়েছেন। তাঁর এই পদোন্নতিতে নন্দীগ্রামসহ সমগ্র বগুড়া জেলায় আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ বিরাজ করছে।
বর্তমানে তিনি র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) অতিরিক্ত মহাপরিচালক (ডিআইজি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ কর্মজীবনে সততা, দক্ষতা, পেশাদারিত্ব এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি ডিআইজি থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) পদে উন্নীত হয়েছেন।
গত ৪ জুন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পুলিশ-১ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে তাঁর পদোন্নতির বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। একই প্রজ্ঞাপনে আরও চারজন ডিআইজি অতিরিক্ত আইজিপি পদে পদোন্নতি লাভ করেন। এছাড়া দুইজন অতিরিক্ত আইজিপিকে গ্রেড-১ পদে উন্নীত করা হয়েছে। ফারুক আহমেদের এ অর্জন শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, এটি নন্দীগ্রাম উপজেলার জন্যও এক গৌরবময় অধ্যায়। একটি প্রত্যন্ত গ্রামের সন্তান হিসেবে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চপদে অধিষ্ঠিত হওয়া নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁর এই পদোন্নতিতে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তারা বলেন, ফারুক আহমেদের সাফল্য নন্দীগ্রামের মানুষের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও গর্বের বিষয়। তাঁর সততা, মেধা ও কর্মনিষ্ঠা তরুণ সমাজকে দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধে উদ্বুদ্ধ করবে। কৈডালা গ্রামের বাসিন্দারাও নিজেদের গর্বিত মনে করছেন। গ্রামের প্রবীণ ও তরুণদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়ে তাঁর উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করেছেন।
দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমন এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে তাঁর অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব আগামী দিনেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।
নন্দীগ্রামের এই কৃতি সন্তানের এমন গৌরবোজ্জ্বল অর্জনে উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং তাঁর উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন।