সমন্বিত উদ্যোগে বগুড়ায় মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি করা হবে- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট | Daily Chandni Bazar সমন্বিত উদ্যোগে বগুড়ায় মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি করা হবে- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১৫ জুলাই, ২০২৬ ২১:২৯
সমন্বিত উদ্যোগে বগুড়ায় মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি করা হবে- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঞ্জু রায়:

সমন্বিত উদ্যোগে বগুড়ায় মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি করা হবে- চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট

সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করে দ্রুততম সময়ে মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি করার কথা জানিয়েছেন বগুড়ার চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো: আব্দুল্লাহ আল মামুন। এক্ষেত্রে আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পুলিশের সহযোগিতার পাশাপাশি দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় তিনি আইনজীবীদেরও সহযোগিতা কামনা করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের আয়োজনে বুধবার বিকেলে চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত 'মাদক মামলার কার্যকর নিষ্পত্তি: প্রতিবন্ধকতা ও করণীয়' শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, যেসব মামলায় দ্রুত সাক্ষীদের পাওয়া যাবে সেগুলোতে লম্বা তারিখ নয় বরং ছোট ছোট তারিখ দিয়ে মাদক মামলাগুলোর কার্যকর নিষ্পত্তি করা হবে। বিচার বিভাগ, জেলা পুলিশ ও পাবলিক প্রসিকিউটেরদের সমন্বয়ে এই সেমিনারে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুল বাসেদ বলেন, আইনের ফাঁকফোকর দিয়ে দাগি আসামীরা বেরিয়ে যাচ্ছে যা প্রতিরোধ করতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই মামলার স্বাক্ষীরা আদালতে আসতে চাননা যে কারণে বিচার বিলম্বিত হয়। এক্ষেত্রে পুলিশের স্বাক্ষীকে প্রাধান্য দিয়েও সাজা প্রদান করতে হবে যা আইনেও আছে। তিনি বলেন মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স মানসিকতা নিয়ে সকলকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে বিচার বিভাগের দায়িত্বশীলদের সাথে ধারাবাহিকভাবে সমন্বয় করা হবে। সেমিনারে জেলা পুলিশের পক্ষে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হুসাইন মোহাম্মদ রায়হান বলেন, বগুড়ায় গত তিন মাসে গড়ে প্রতিমাসে ১২৫টি করে মাদক মামলা হয়েছে। এত মামলার পরেও কোনভাবেই মাদক নিয়ন্ত্রণে আসছে না। দাগি মাদক ব্যবসায়ীরা জামিনে বের হয়ে আবার মাদকের সাথে যুক্ত হয় কারণ জিজ্ঞেস করলে তারা বলেন, এতগুলো মামলা চালাতে গেলে তাদের মাদক ব্যবসা করতেই হবে। এক্ষেত্রে একাধিক মামলার আসামিদের সহজে জামিন না দেয়ার লক্ষ্যে বিচার বিভাগের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। জেলা পুলিশের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, অনেক অভিযানে ঘটনাস্থলে সাক্ষী খুঁজে পাওয়া যায় না সেক্ষেত্রে তাদের অনেক সময় বিড়ম্বনায় পরতে হয়। আবার সাক্ষীদের ঠিকানা নিয়েও নানা জটিলতাও সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, ছোট ছোট মাদক মামলাগুলো যদি ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় তাহলে ইতিবাচক একটি ফলাফল আসবে। সেমিনারে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কামাল হোসেন ও আবু হেনা সিদ্দিকী, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট যথাক্রমে আফসান ইলাহী, আরিফুল ইসলাম ও স্বপন হোসাইন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক জিললুর রহমান, অ্যাডভোকেটস বার সমিতি বগুড়ার সভাপতি শেখ রেজাউর রহমান মিন্টু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলামসহ জেলার সকল থানার অফিসার ইনচার্জ, কোর্ট ইন্সপেক্টরসহ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটররা উপস্থিত ছিলেন।