গাবতলীতে ২২ মিনিট দেরিতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, এসিল্যান্ড স্ট্যান্ড রিলিজ | Daily Chandni Bazar গাবতলীতে ২২ মিনিট দেরিতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, এসিল্যান্ড স্ট্যান্ড রিলিজ | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০২৬ ০১:০১
গাবতলীতে ২২ মিনিট দেরিতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, এসিল্যান্ড স্ট্যান্ড রিলিজ
গাবতলী, বগুড়া সংবাদদাতাঃ

গাবতলীতে ২২ মিনিট দেরিতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, এসিল্যান্ড স্ট্যান্ড রিলিজ

বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সুখানপুকুরে সৈয়দ আহম্মদ কলেজ কেন্দ্রের এইচএসসি পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ের ২২ মিনিট পর প্রশ্নপত্র বিতরণের ঘটনায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহানাজ পারভীনকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়েছে। তাঁকে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে ঘটনাটি তদন্তে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি)কে প্রধান করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) সকালে এইচএসসির ভূগোল প্রথমপত্র পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। তবে পরীক্ষা শুরুর পরও কেন্দ্রে সঠিক প্রশ্নপত্র পৌঁছেনি। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনারের (ভূমি) নির্দেশে নির্ধারিত সময়ের ২২ মিনিট পর পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়। এতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হতাশার সৃষ্টি হয়।

সৈয়দ আহম্মদ কলেজের অধ্যক্ষ ও কেন্দ্র সচিব মো. সাইদুজ্জামান বলেন, উপজেলা ট্রেজারির ট্রাঙ্ক থেকে ভুলবশত অন্য বিষয়ের প্রশ্নপত্র নিয়ে আসায় এ জটিলতার সৃষ্টি হয়। পরে সঠিক প্রশ্নপত্র এনে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিতরণ করা হয় এবং অতিরিক্ত সময় দিয়ে পরীক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর গাবতলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত প্রতিবেদন পাঠান।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান বলেন, বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয় তাৎক্ষণিকভাবে সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহানাজ পারভীনকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করেছে। এ ঘটনায় কেন্দ্র সচিব ও গাবতলী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তারও দায় রয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পৃথক চিঠি পাঠানো হয়েছে।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান শামীম আরা চৌধুরী বলেন, প্রাথমিকভাবে কেন্দ্র সচিবের ব্যর্থতা এবং পরীক্ষা পরিচালনায় অদক্ষতার বিষয়টি সামনে এসেছে। শিক্ষা বোর্ডের পক্ষ থেকে তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত প্রতিবেদন নেওয়া হবে। প্রতিবেদন পাওয়ার পর কেন্দ্র সচিবের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।