স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের হারপিক পান, মা-মেয়ের মৃত্যু- জরুরীতে ছেলে | Daily Chandni Bazar স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের হারপিক পান, মা-মেয়ের মৃত্যু- জরুরীতে ছেলে | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:৪৯
স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের হারপিক পান, মা-মেয়ের মৃত্যু- জরুরীতে ছেলে
নরসিংদী সংবাদদাতাঃ

স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে মায়ের হারপিক পান, মা-মেয়ের মৃত্যু- জরুরীতে ছেলে

নরসিংদীর মাধবদীতে স্বামীর সঙ্গে ঝগড়ার পর দুই সন্তানকে নিয়ে হারপিক পান করেছেন এক মা। এতে ওই মা ও তার পাঁচ বছর বয়সী মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় আড়াই বছর বয়সী ছেলেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শিশুদের বাবা মিলনকে আটক করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কামাল হোসেন। এর আগে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১টার দিকে মাধবদী পৌরসভার আনন্দী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া দুজন হলেন উর্মি (২২) ও তার মেয়ে মিম (৫)। চিকিৎসাধীন শিশুটির নাম আবির হোসেন। আটক মিলন পেশায় গাড়িচালক। তারা মাধবদী থানার বসুন্ধরা এলাকার কান্দাপাড়া এলাকায় শেফালী বেগম নামে এক নারীর বাড়িতে ভাড়ায় থাকতেন।

পুলিশ জানায়, পারিবারিক বিষয় নিয়ে উর্মি ও তার স্বামী মিলনের মধ্যে ঝগড়া ও মনোমালিন্য হয়। একপর্যায়ে মিলন উর্মিকে জুতা দিয়ে মারধর করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর উর্মি দুই সন্তানকে নিয়ে ভাড়া বাসা থেকে বের হয়ে যান। পরে মাধবদী পৌরসভার আনন্দী এলাকায় গিয়ে তিনি হারপিক পান করেন এবং দুই সন্তানকেও তা পান করান বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এতে তিনজনই অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাদের নরসিংদী সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক উর্মিকে মৃত ঘোষণা করেন। দুই শিশুকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে মিম ও আবিরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসক মিমকে মৃত ঘোষণা করেন। আবিরকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

মাধবদী থানার ওসি মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। নিহত উর্মির মায়ের করা মামলায় মিলনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।