টিকটকের তান্ত্রিক গুরু’র ফাঁদে নারী, খোয়ালেন সাড়ে ৬ লাখ টাকা | Daily Chandni Bazar টিকটকের তান্ত্রিক গুরু’র ফাঁদে নারী, খোয়ালেন সাড়ে ৬ লাখ টাকা | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২০ অক্টোবর, ২০২৬ ০১:০৭
টিকটকের তান্ত্রিক গুরু’র ফাঁদে নারী, খোয়ালেন সাড়ে ৬ লাখ টাকা
নিজস্ব প্রতিবেদক

টিকটকের তান্ত্রিক গুরু’র ফাঁদে নারী, খোয়ালেন সাড়ে ৬ লাখ টাকা

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকে নিজেকে তান্ত্রিক পরিচয় দিয়ে পারিবারিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিতেন মিজানুর রহমান, ২৫। কবিরাজির উপকরণ কেনার কথা বলে এক নারীর কাছ থেকে ধাপে ধাপে বিকাশের মাধ্যমে সাড়ে ৬ লাখ টাকা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। পরে টাকা ফেরত চাইলে ওই নারীকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগও রয়েছে। এ ঘটনায় মিজানুরকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন বা পিবিআই।

সোমবার ১৯ অক্টোবর দুপুরে রাজধানীর কল্যাণপুরে পিবিআইয়ের এসআইঅ্যান্ডও উত্তর কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বিশেষ পুলিশ সুপার আবদুর রহমান।

পিবিআই জানায়, টিকটকে নিজেকে তান্ত্রিক ও কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদের খাদেম পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করতেন মিজানুর। এ অভিযোগের ভিত্তিতে গত ১৬ অক্টোবর জামালপুর সদর উপজেলার চর যথার্থপুর ভাটিপাড়া গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন ও একাধিক সিম কার্ড উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তারের পর মিজানুর আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, টিকটকে ‘তান্ত্রিক গুরু জীবন কবিরাজ’ নামের একটি অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে মিজানুরের সঙ্গে ওই নারীর পরিচয় হয়। পরে পারিবারিক সমস্যার কথা জানিয়ে ইমো ও মুঠোফোনের মাধ্যমে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করেন ভুক্তভোগী। একপর্যায়ে পারিবারিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে কবিরাজির উপকরণ কেনার কথা বলে ওই নারীর কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে টাকা নেন মিজানুর।

গত ২৬ জানুয়ারি থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিকাশের মাধ্যমে মোট ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা পাঠান ওই নারী। পরে প্রতারণার মাধ্যমে এসব টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

এ ঘটনায় গত ৪ জুলাই রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা করেন ভুক্তভোগী নারী। গত ১০ অক্টোবর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পায় পিবিআইয়ের এসআইঅ্যান্ডও উত্তর কার্যালয়। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছেন সংস্থাটির উপপরিদর্শক মো. নাজমুল হক।