বগুড়ায় নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার | Daily Chandni Bazar বগুড়ায় নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার | Daily Chandni Bazar
logo
প্রকাশিত : ২৬ অক্টোবর, ২০২৬ ০০:১৩
বগুড়ায় নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

বগুড়ায় নবজাতককে সঙ্গে নিয়ে ইয়াবা পাচার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার

বগুড়ার শাজাহানপুরে যাত্রীবাহী বাসে করে ইয়াবা পাচারের অভিযোগে এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ৭ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া নারীর কোলে ছিল ৪৫ দিন বয়সী একটি নবজাতক।

রোববার ২৫ অক্টোবর বিকেলে ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের শাজাহানপুর উপজেলার নয়মাইল জামালপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা হলেন সারমিন খানম, বয়স ২৫ বছর, ও তাঁর স্বামী সোহাগ মৃধা, বয়স ৩১ বছর। তাঁদের বাড়ি ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলায়। বর্তমানে তাঁরা ঢাকার মিরপুর এলাকায় বসবাস করতেন বলে জানিয়েছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বগুড়া জেলা কার্যালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপপরিচালক মোহা. জিললুর রহমানের নেতৃত্বে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ সময় ঢাকা থেকে বগুড়াগামী আর কে ট্রাভেলসের একটি যাত্রীবাহী বাসে তল্লাশি চালানো হয়। বাসটির এফ-১ ও এফ-২ আসনে বসা ওই দুই যাত্রীর দেহ তল্লাশি করে ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সারমিন খানমের দুই পায়ের হাঁটুর নিচে অ্যাংলেটের সঙ্গে বিশেষ কৌশলে কালো টেপ দিয়ে মোড়ানো প্যাকেটে ইয়াবাগুলো লুকানো ছিল। তাঁর ডান পায়ের নিচে থাকা ২০টি প্যাকেটে ৪ হাজার পিস এবং বাম পায়ের নিচে থাকা ১৯টি প্যাকেটে ৩ হাজার ৮০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা ইয়াবার সংখ্যা ৭ হাজার ৮০০ পিস এবং ওজন ৭৮০ গ্রাম।

এ সময় তাঁদের কাছ থেকে দুটি মুঠোফোন ও দুটি অ্যাংলেটও জব্দ করা হয়। সোহাগ মৃধার বিরুদ্ধে একাধিক মাদক মামলায় অভিযুক্ত থাকার তথ্যও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক মো. সামসুল আলম বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, মাদকের চালানের সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হবে। মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানিয়েছে অধিদপ্তর।